The Daily Kaler Kantho (http://dailykalerkantho.com), One of the most popular daily newspaper in Bangladesh, published an in depth article on I-Blood. Here is a summary of the article:

হঠাৎই ফোনটি এলো। অপরিচিত নম্বর থেকে। লাভলী আখতার জানালেন, তাঁর মা ভীষণ অসুস্থ, ভর্তি রয়েছেন সিএমএইচে। অপারেশন হবে, জরুরি ভিত্তিতে প্রচুর রক্তের প্রয়োজন। আলমগীর অসহায় মেয়েটিকে যোগাযোগ করিয়ে দিলেন নিয়মিত ডোনারদের সঙ্গে। সুস্থ হয়ে মাকে নিয়ে ময়মনসিংহ ফিরে গিয়েছেন লাভলী। এখনো মাঝেমধ্যে আলমগীরকে ফোন করে কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। ঘটনাটি অনলাইন রক্তদাতাদের সামাজিক যোগাযোগ সাইট 'আই ব্লাড' নিয়ে মানুষের ভালোবাসার অসংখ্য স্মৃতির একটি। ভালোবাসার এই প্লাটফর্মটি তৈরির গল্পটা কিন্তু অত সহজ ছিল না।

২০০৫ সালে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র রায়হান চৌধুরী চালু করেন 'আই ব্লাড'। দেশের প্রথম অনলাইন ব্লাড ব্যাংকটি তৈরিতে তাঁর সঙ্গী ছিলেন চার বন্ধু রাজন, জাহিদ, প্রবীর এবং ফয়সাল। নানা জটিলতায় কিছু দিন পর ব্লাড ব্যাংকটি বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনাটি খুবই আহত করে রায়হানকে। দমে না গিয়ে আবারও প্রস্তুতি নিতে থাকেন তিনি। শেষপর্যন্ত স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটে ২০০৯ সালে। তত দিনে পড়ালেখা শেষ করে প্রেসিডেন্সিতেই ডাটাবেজ অফিসারের চাকরি নিয়েছেন রায়হান। বন্ধুরাও ব্যস্ত নানা কাজে। রায়হান একা একাই তৈরি করে ফেললেন আই ব্লাডের প্রয়োজনীয় খুঁটিনাটি_ওয়েব পেজ ডিজাইন, গ্রাফিক্সসহ সাইটের সব কিছু। নতুনভাবে যাত্রা শুরুর পর থেকেই ক্যাম্পাসে ব্যাপক সাড়া ফেলে 'আই ব্লাড'। তখন থেকেই স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র আলমগীর হোসেন। তিনি বলেন, 'ছোটবেলা থেকেই আমার ইচ্ছে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার। সেই স্বপ্ন এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। তবে আমরা যা করছি সেটাও কম নয়।' রায়হান জানালেন আই ব্লাডের মূল লক্ষ্য দ্রুত রক্তদাতাদের খুঁজে বের করা_'এটি রক্তদাতাদের সামাজিক যোগাযোগ সাইট, অনেকটা ফেইসবুকের মতোই। যার মাধ্যমে যে কেউই রক্তের প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন।' ...

For detail please follow this link: http://raynux.com/u.13